নিচের পাঠ্যাংশটি 'ডিসলেক্সিয়ার উপরে টাস্ক গ্রুপের রিপোর্ট' থেকে গৃহীত, যা নিচে সম্পূর্ণ দেওয়া আছে।
এক নজরে
বিকাশগত ডিসলেক্সিয়া প্রথমবার বর্ণিত হয়েছিল 1886 সালে একটি 14 বছরের ছেলের ঘটনায়, যে পড়তে শিখছিল না। 1917 সালে পরবর্তী একটি অধ্যয়নে এই ধরনের সমস্যাগুলির জন্যে "জন্মগত শব্দান্ধতা"-কে দায়ী করা হয়েছিল। একমাত্র 1960 সালের পরেই গবেষণা চিকিত্সার ক্ষেত্র থেকে শিক্ষাক্ষেত্রে সরে এসেছিল, এবং "ডিসলেক্সিক" ও "পশ্চাদমুখী পাঠক"দের মধ্যে বৈষম্যের জন্যে কোন কারণগুলি দায়ী তা নিয়ে গবেষণা হয়েছিল।
ডিসলেক্সিয়ার কারণ এবং এই সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে এটা কিভাবে প্রকাশ পায় তা নিয়ে সেই সময় থেকে অনেক বিতর্ক হয়েছে। তবে সঠিক সংজ্ঞার বিষয়ে সামান্যই সম্মতি তৈরি হয়েছে। "ডিসলেক্সিয়া" শব্দটি সাধারণভাবে চিকিত্সাগত /জীববিজ্ঞানের গবেষণায় ব্যবহৃত হয়েছে এবং এই ক্ষেত্রের স্বয়ংসেবী গোষ্ঠীগুলি এই শব্দটিকেই পছন্দ করে। তবে নিকোলসন (2001)21 নির্দেশ করেছেন যে, এর অন্তর্নিহিত অর্থ হল "একটিমাত্র তুলনামূলক একরূপ রোগলক্ষণ" আছে। বর্তমান গবেষণা ইঙ্গিত করে যে এটা সঠিক নয়।
শিক্ষাবিদরা, বিশেষত শিক্ষাগত মনস্তাত্ত্বিকরা "বিশেষ শিক্ষাগত সমস্যা" শব্দটিকে বেশি পছন্দ করেন, যা বোঝায় যে ব্যক্তিটির শিক্ষার কয়েকটি প্রক্রিয়ায় কিছু ঘাটতি থকে গেছে, পুরোটাতেই নয়। ইউএসএ (USA)-তে 1980 এর দশকে "পড়ার অক্ষমতা" শব্দটির দ্বারা ডিসলেক্সিয়া শব্দটিকে প্রতিস্থাপিত করা হয়েছিল। এর পরিণতিতে শিক্ষা প্রক্রিয়ার বিশ্লেষণ থেকে পড়ার প্রক্রিয়ার বিশ্লেষণের দিকে নজর ঘুরে গিয়েছিল।